মাদারীপুরে ত্রাস সৃষ্টি করাকে কেন্দ্র করে একাধিক বোমা নিক্ষেপ করেছে। এবং ঘটনা স্থল থেকে ৫টি তাজা ককটেল বোমা উদ্ধারের ঘটনায় সদর থানায় মামলা দায়ের। গতকাল ১০ মার্চ পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত মনির ও আকাশ নামের দুজন গ্রেফতার।
পুলিশ স্থানীয় সুত্র জানায়, মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর ইউনিয়নের বড় মেহের এলাকায় ৯ মার্চ বিকেলে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করার লক্ষে এনামুল দর্জি, মহসিন মীর, মনির শিকদার, সজল মীরের নেতৃত্বে ১৫/২৫ জনের একটি সন্ত্রাসী দল বোমা বিস্ফরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করছিল। পুলিশ সংবাদ পেয়ে ঘটনা স্থলে গিয়ে তাদের ধাওয়া করলে অনেক গুলো ককটেল বোমা একটি বালতিতে রেখে সন্ত্রাসীরা দৌড়ে পালিয়ে যায়।
পরে পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে রোবার বিকেলে একাধিক মাদক মামলার আসামি এবং চিহ্নিত মাদক ব্যাবসায়ী ও বিস্ফোরক মামলার অন্য অনতম আসামি মনির শিকদার এবং তার সহযোগী বিস্ফোরক মামলার অপর আসামি আকাশ খালাসিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার ১০ মার্চ তাদেরকে আটক করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত মনির সদর উপজেলার মস্তফাপুর এলাকার মৃত্যু মিলন শিকদারের ছেলে। আকাশ একই উপজেলার চাপাতলি এলাকার আলাদিন খালাসির ছেলে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যাক্তিরা বলেন, মনির শিকদার একজন পেশাদার মাদক ব্যনসায়ী। মাদকের মাধ্যমে এলাকার যুবসমাজকে ধংস করতেছে। আমরা এলাকাবাসী ওদের অত্যাচারে এখন অতিষ্ঠ। মনিরের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। আকাশ খালাসি তার সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। আমরা এদের থেকে পরিত্রাণ চাই।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ সালাউদ্দিন জানান, এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করার লক্ষ্যে এনামুল দর্জি ও মহসিন মীরের নেতৃত্বে ১৫/২০ জনের একটি দল ককটেল বোমা বিস্ফরণ ঘটায়। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে গিয়ে তাদের ধাওয়া করলে একটি বালতিতে তাজা ককটেল বোমা রেখে দৌড়ে পালিয়ে যায় তারা। পরে ঢাকা থেকে বোমা ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা এসে বোমা নিস্ক্রিয় করে। এ ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত মনির শিকদার ও আকাশ খালাসিকে গ্রেফতার করা হয়। অন্য আসামিদের ধরার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।